(৩)
উপ-ধারা (১)-এ কোন ছদ্মনাম বিশিষ্ট যৌধভাবে প্রণীত কর্মের
ক্ষেত্রে প্রণেতার অর্থ
বুঝিতে হইবে -
(ক) প্রণেতাগণের মধ্যে এক বা একাধিক প্রণেতার নাম (সকলের নহে) ছদ্মনাম হইলে, এবং
তাহার বা তাহাদের পরিচয় অপ্রকাশিত থাকিলে, যাহার নাম ছদ্মনাম নহে তাহার উল্লেখ বা দুই বা ততোধিক প্রণেতাগণের নাম ছদ্মনাম না হইলে, ঐরূপ প্রণেতার উল্লেখ যিনি শেষে মৃত্যুবরণ করিয়াছেন;
(খ) প্রণেতাগণের মধ্যে এক বা একাধিক প্রণেতার নাম (সকলের নহে) ছদ্মনাম হইলে, এবং
তাহাদের মধ্যে এক বা একাধিক প্রণেতার নাম প্রকাশিত হইলে, প্রণেতাগণের মধ্য হইতে যাহাদের নাম ছদ্মনাম নহে তাহাদের মধ্যে যিনি শেষে
মৃত্যুবরণ করেন, এবং যে
প্রণেতাগণের নাম ছদ্মনাম ও প্রকাশিত তাহাদের উল্লেখ;
(গ) সকল প্রণেতাগণের নাম ছদ্মনাম হইলে এবং তাহাদের মধ্যে একজনের পরিচয় প্রকাশিত
হইলে যে প্রণেতার পরিচয় প্রকাশিত হইয়াছে তাহার উল্লেখ বা, এইরূপ দুই বা ততোধিক
প্রণেতার পরিচয় প্রকাশিত হইলে, ঐরূপ প্রণেতার মধ্যে যিনি শেষে
মৃত্যুবরণ করিয়াছেন
তাহার উল্লেখ।
ব্যাখ্যা।_ এই ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, কোনো প্রণেতার পরিচয় প্রকাশ হইয়াছে বলিয়া
গণ্য হইবে যদি প্রণেতা এবং প্রকাশক উভয়ের দ্বারা প্রণেতার পরিচয় জনসাধারণ্যে প্রকাশ
হইয়া পড়ে অথবা সেই প্রণেতা অন্যভাবে বোর্ডের সন্তুষ্টিমতে তাহা প্রতিষ্ঠিত করেন।
৩০। সরকারী কর্মের কপিরাইটের মেয়াদ।
কোন সরকারী কর্মের কপিরাইটের
ক্ষেত্রে, সরকার ঐ
কর্মের কপিরাইটের প্রথম স্বত্বাধিকারী হইলে যে বত্সর কর্মটি প্রথম প্রকাশিত হইয়াছে
উহার পরবতী পঞ্জিকা-বর্ষের শুরু হইতে ষাট বত্সর পর্যন্ত কপিরাইট বিদ্যমান থাকিবে।
৩১।
স্থানীয় কর্তৃপরে কর্মের কপিরাইটের মেয়াদ।_ কোন স্থানীয় কর্তৃপরে কর্মের
কপিরাইটের
ক্ষেত্রে, স্থানীয় কতৃপক্ষ ঐ কর্মের কপিরাইটের প্রথম স্বত্বাধিকারী হইলে যে
বত্সর কর্মটি প্রথম প্রকাশ হইয়াছে উহার পরবতী পঞ্জিকা-বর্ষের শুরু হইতে ষাট বত্সর
পর্যন্ত কপিরাইট বিদ্যমান থাকিবে।
৩২। আন্তরতিক সংস্থার কর্মের কপিরাইটের মেয়াদ।_ ধারা ৬৮ প্রযোজ্য হয় এমন কোন
আন্তর্জাতিক সংগঠনের কর্মের
ক্ষেত্রে, যে বত্সর কর্মটি প্রথম প্রকাশিত হইয়াছে উহার
পরবতী পঞ্জিকা-বর্ষের শুরু হইতে ষাট বত্সর পর্যন্ত কপিরাইট বিদ্যমান থাকিবে।
৩৩। সমপ্রচার পুনরুত্পদনের অধিকার । (১) প্রত্যেক সমপ্রচার সংস্থা কর্তৃক
সমপ্রচারিত বিষয়ে উহার একটি বিশেষ অধিকার থাকিবে, যাহা " সমপ্রচার পুনরুত্পাদন
অধিকার" নামে অভিহিত হইবে।
(২) সমপ্রচার যে বত্সর প্রথম করা হইয়াছে উহার পরবতর্ী পঞ্জিকা বর্ষের শুরু হইতে ২৫
বছর পর্যন্ত
সমপ্রচার পুনরুত্পাদন অধিকার অক্ষুন্ন থাকিবে।
(৩) কোন সমপ্রচারিত বিষয়ে সমপ্রচার পুনরুত্পাদন অধিকার অব্যাহত থকাকালে কোন ব্যক্তি
উক্ত
অধিকারের মালিকের লাইসেন্স ব্যতীত সমপ্রচার অথবা উহার মৌলিক অংশের বিষয়ে নিম্নোক্ত
কোন কার্য করিলে, তিনি, ধারা ৩৬ এর বিধান সাপেক্ষে সংশ্লিষ্ট সমপ্রচার সংস্থার
সমপ্রচার পুনরুত্পাদনের অধিকার লংঘন করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবেন, এবং বিষয়টির
প্রকৃতিগত সীমাবদ্ধতা সাপেক্ষে অধ্যায় ১৩, ১৪, ১৫, ১৬, এবং ১৭ এর বিধানাবলী সমপ্রচার
সংস্থা ও সমপ্রচারের
ক্ষেত্রে এমনভাবে প্রযোজ্য হইবে যেন যথাক্রমে প্রণেতা এবং কর্ম
ছিল, যথাঃ
(ক) সমপ্রচার পুনঃসমপ্রচার করা; বা
(খ) অর্থের বিনিময়ে সমপ্রচারটি জনগণের দেখা বা শোনার ব্যবস্থা করা; বা
(গ) সমপ্রচারটির সংস্থাপন করা; বা
(ঘ) বিনা লাইসেন্সে প্রাথমিক সংস্থাপন বা লাইন্সে থাকার
ক্ষেত্রে
উহার উদ্দেশ্য বহির্ভূত
ক্ষেত্রে
সংস্থাপনটির পুনরুত্পাদন করা ; বা
(ঙ) উপ-দফা (গ) অথবা (ঘ)-এ উল্লিখিত কোন সংস্থাপন বা অনুরূপ সংস্থাপনের
পুনরুত্পাদন জনগণের জন্য বিক্রয় করা, ভাড়া দেওয়া অথবা বিক্রয় বা ভাড়া প্রস্তাব করা।
৩৪।
অন্যদের অধিকার
ক্ষুন্ন না হওয়া। সন্দেহ দুরীকরণার্থ এতদ্বারা ঘোষণা করা হইল যে,
সমপ্রচার সংস্থা প্রদত্ত অধিকার কোন সাহিত্য, নাট্য, সংগীত, শিল্প বা চলচ্চিত্র
ফিল্ম অথবা সমপ্রচারে ব্যবহৃত শব্দ রেকর্ডিং এর কপিরাইট তিগ্রস্থ করিবে না।
৩৫। সম্পাদনকারীর অধিকার। (১) যে
ক্ষেত্রে কোন সম্পদনকারী কোন সম্পাদনে আর্বিভুত বা
নিয়োজিত হন, তাহার উক্ত সম্পাদন এর বিষয়ে একটি বিশেষ অধিকার থাকিবে, যাহা "
সম্পাদনকারীর অধিকার" নামে অভিহিত হইবে।
(২) সম্পাদন যে বছর প্রথম করা হইয়াছে উহার পরবতী পঞ্জিকা বর্ষের শুরু হইতে পঞ্চাশ
বত্সর পর্যন্ত
সম্পাদনকারীর অধিকার বিদ্যমান থাকিবে।
(৩) কোন সম্পাদনের বিষয়ে সম্পাদনকারীর অধিকার অব্যাহত থাকাকালে কোন ব্যক্তি
সম্পাদনকারীর
অনুমতি ব্যতীত উক্ত সম্পাদন অথবা উহার মৌলিক অংশের বিষয়ে নিম্নোক্ত কোন কার্য
করিলে, তিনি ধারা ৩৬ এর বিধান সাপেক্ষে সম্পাদনকারীর অধিকার লংঘন করিয়াছেন বলিয়া গণ্য
হইবেন এবং বিষয়টির প্রকৃতিগত সীমাবদ্ধতা সাপেক্ষে অধ্যায় ১১, ১২ ও ১৩ এর বিধানবলী
সম্পাদনকারী ও সম্পাদনের বিষয়ে এমনভাবে প্রযোজ্য হইবে যেন তাহারা যথাক্রমে প্রণেতা
ও কর্ম ছিল, যথাঃ
(ক) সম্পাদনটির সংস্থাপন করা; বা
(খ) সম্পাদনটির সংস্থাপন পুনরুত্পাদন
করা, যাহাতে -
(অ) সম্পাদনকারীর সম্মতি থাকে না; বা
(আ) সম্পাদনকারীর সম্মতি উদ্দেশ্য বহিভূতভাবে করা; বা
(ই) ধারা ৩৬ এর বিধানাবলীর অনুসরণে তৈরী সংস্থাপন ধারা ৩৬-এ
উল্লিখিত উদ্দেশ্য হইত ভিন্ন উদ্দেশ্যে তৈরী করা; অথবা
(গ) সম্পাদনটি এমন কোন
ক্ষেত্রে সমপ্রচার করা যেক্ষেত্রে উহার ধারা ৩৬ অনুসরণে রচিত
শব্দ রেকর্ডিং বা দর্শণসাধ্য রেকর্ডিং হইত তৈরী রেকর্ডিং নহে অথবা উহা এমন কোন
সমপ্রচার যাহা একই সমপ্রচার সংস্থা কর্তৃক ইতিপূর্বে সমপ্রচারিত বিষয়ের সমপ্রচার
এবং যাহা সম্পাদনকারীর অধিকার লংঘন একই সমপ্রচার সংস্থা কর্তৃক ইতিপূর্বে
সমপ্রচারিত বিষয়ের সমপ্রচার এবং যাহা সম্পাদনকারীর অধিকার লংঘন করে নাই; বা
(ঘ) সংস্থাপন বা সমপ্রচার হইতে জনগণের নিকট প্রচারণা ব্যতীত অন্যভাবে সম্পাদনটি
জনগণের নিকট সমপ্রচার করা।
৩৬। সমপ্রচার পুনরুত্পাদন অধিকার বা সম্পাদনকারীর অধিকার লংঘন করে না এমন কার্য। নিম্নোক্ত কার্যবলীর দ্বারা কোন সমপ্রচার পুনরুত্পাদন
অধিকার বা সম্পাদনকারীর অধিকার লংঘিত হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে না
-
(ক) শব্দ রেকর্ডিং বা দর্শনসাধ্য রেকর্ডিং তৈরীকারকের ব্যক্তিগত ব্যবহার অথবা
কেবলমাত্র
শিক্ষাদান অথবা গবেষণার উদ্দেশ্য তৈরী; বা
(খ) কোন সম্পাদন বা সম্পাদনের উদ্ধৃত অংশ সত্ উদ্দেশ্য ব্যবহার, চলমান ঘটনা প্রচার
পর্যালোচনা, শিক্ষা অথবা গবেষণার জন্য ব্যবহার; বা
(গ) প্রয়োজনীয় অভিযোজন এবং সংশোধনীসহ অনুরূপ অন্যান্য কার্য যাহাতে ধারা ৭৩ এর
অধীন কপিরাইট লংঘন সংঘটিত হয় না।
৩৭। সমপ্রচার পুনরুত্পাদন অধিকার এবং সম্পাদনকারীর অধিকারের
ক্ষেত্রে প্রযোজ্য অন্যান্য
বিধান।
এই আইনের ধারা ১৮, ১৯, ৪৮, ৭৬, ৭৯, ৮৫, ৮৬ এবং ৯৩ প্রয়োজনীয় অভিযোজন ও সংশোধন সাপক্ষে যে কোন সমপ্রচারের
ক্ষেত্রে সমপ্রচার পুনরুত্পাদন অধিকার এবং সম্পাদনের
ক্ষেত্রে অধিকারের বিষয়ে সেইরূপ প্রযোজ্য হইবে যেইরূপ উহারা কোন কর্মের
ক্ষেত্রে প্রযোজ্য
হয়ঃ
তবে শর্ত থাকে যে, কোন কর্ম বা সম্পাদনের
ক্ষেত্রে কপিরাইট বা সম্পাদনকারীর অধিকার যদি
বিদ্যমান থাকে সেক্ষেত্রে উক্ত সমপ্রচার পুনরুত্পাদনের জন্য প্রদত্ত কোন লাইসেন্স
কার্যকর হইবে না, যদি না উহা কপিরাইটের মালিক বা,
ক্ষেত্রমত, সম্পাদনকারীর অথবা উভয়ের
সম্মতিক্রমে প্রদত্ত হয়।
অধ্যায়
-৭
প্রকাশিত কর্মের সংস্করণের অধিকার
৩৮।
মুদ্রণশৈলী সংরণ এবং সংরণের মেয়াদ।কোন কর্মের কোন সংস্করণের প্রকাশক
বাণিজ্যিক ভিত্তিতে বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে, ফটোগ্রাফিক বা অনুরূপ কোন প্রক্রিয়ায় ঐ
সংস্করণের মুদ্রণশৈলীগত বিন্যাসের কপি তৈরী করিবার মতা প্রদানের অধিকার ভোগ করিবেন
এবং এইরূপ অধিকার যে বত্সর সংস্করণটি প্রথম প্রকাশিত হইয়াছে উহার পরবর্তী
পঞ্জিকা-বর্ষের শুরু হইতে পঁচিশ বত্সর পর্যন্ত বিদ্যমান থাকিবে।
১৫। ২০০০
সনের ২৮ নং আইনের ধারা ৩৬ এর সংশোধন। উক্ত আইনের ধারা ৩৬ এর দফা (গ) এর "৭৩"
সংখ্যার পরিবর্তে "৭২" সংখ্যা প্রতিস্থাপিত হইবে;
১৬। ২০০০ সনের ২৮ নং আইনের ধারা ৩৮ এর সংশোধন। উক্ত আইনের ধারা ২৮ এর পরিবর্তে
নিম্নরূপ ধারা ৩৮ প্রতিস্থাপিত হইবে, যথাঃ
"৩৮। মুদ্রণশৈলী সংরণ এবং সংরণের মেয়াদ। (১) কোন কর্মের কোন সংস্করণের প্রকাশক
বাণিজ্যিক ভিত্তিতে বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে, ফটোগ্রাফিক বা অনুরূপ কোন প্রক্রিয়ায় ঐ
সংস্করণের মুদ্রণশৈলীগত বিন্যাসের কপি তৈরী করিবার মতা প্রদানের অধিকার ভোগ করিবেন
এবং এইরূপ অধিকার যে বত্সর সংস্করণটি প্রথম প্রকাশিত হইয়াছে উহার পরবর্তী
পঞ্জিকা-বর্ষের শুরু হইতে পঁচিশ বত্সর পর্যন্ত বিদ্যমান থাকিবেঃ
তবে শর্ত থাকে যে, সাহিত্য কর্মের
ক্ষেত্রে, প্রথম স্বত্বাধিকারী সহিত নিয়োগপ্রাপ্ত
স্বত্বাধিকারীর চুক্তি মোতাবেক সম্পাদিত প্রথম স্বত্বাধিকার যে কোন সময়
নিয়োগপ্রাপ্ত স্বত্বাধিকারীর নিকট হইতে স্বত্ব প্রত্যাহার করিলেও প্রকাশক
মুদ্রণশৈলীগত বিন্যাস এবং প্রচ্ছদসহ অন্যান্য চিত্রাঙ্কন, যদি না প্রথম
স্বত্বাধিকারী উহার মালিক হন, স্বত্বপ্রাপ্ত হইবেন না।
(২) চলচ্চিত্রের স্বত্বাধিকারীগণ কর্তৃক বাধ্যতামূলকভাবে তাহদের নির্মিত
পূর্ণদৈর্ঘ্য, স্বল্পদৈর্ঘ্য
অথবা যে কোন দৈর্ঘ্যের চলচ্চিত্রের কম পক্ষে একটি কপি বাংলাদেশ ফিল্ম আরকাইভে দীর্ঘ মেয়াদী সংরণের, ভবিষ্যতে গবেষণার বা অন্য কোন প্রয়োজনে জমা দেওয়ার
ক্ষেত্রে নিম্নবর্ণিত শর্ত প্রযোজ্য হইবে, যথাঃ-
(ক) সরবরাহকৃত ফিল্মের কপিটি মূল চলচ্চিত্র কর্মের হুবহু অনুরূপ, নিখুঁত এবং সবোত্তম
মানের হইত হইবে;
(খ) চলচ্চিত্র কর্মের যে কোন নূতন সংস্করণের
ক্ষেত্রে, উপ-ধারা (১) এর বিধান প্রযোজ্য
হইবে এবং ইহা প্রকাশিত হইবার ষাট দিনের মধ্যে নিজ খরচে বাংলাদেশ ফিল্ম
আর্কাইভে জমা দিতে হইবে;
(গ) সরবরাহকৃত চলচ্চিত্রের কপিটির জন্য বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভ কর্তপ চলচ্চিত্রের
নাম, স্থিতিকাল, প্রকাশের তারিখ, স্বত্বাধিকারীর নাম ও অন্যান্য তথ্যসম্বলিত লিখিত
প্রাপ্তি রশিদ প্রদান করিবে। |
(ক)
চলচ্চিত্রের স্বত্বাধিকারীগণ কর্তৃক বাধ্যতামূলকভাবে তাহদের নির্মিত পূর্ণদৈর্ঘ্য,
স্বল্পদৈর্ঘ্য
অথবা যে কোন দৈঘ্যের কমপক্ষে একটি কপি বাংলাদেশ ফিল্ম আরকাইভে দীর্ঘ মেয়াদী
সংরক্ষণ, ভবিষ্যতে গবেষণা ইত্যাদি প্রয়োজনে জমা দিতে হইবে।
৩৯। লঙঘন ইত্যাদি। প্রকাশক হইতে মতাপ্রাপ্ত না হইয়া কোন ব্যক্তি বাণিজ্যিক
ভিত্তিতে বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে, ফটোগ্রাফিক বা অনুরূপ কোন প্রক্রিয়ায় কোন সংস্করণ বা
উহার মৌলিক অংশের মুদ্রণশৈলীগত বিন্যাসের কপি তৈরী করিলে বা করিবার কারণ ঘটাইলে,
তিনি প্রকাশকের অধিকার লঙ্ঘন করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে এবং বিষয়বস্তুর প্রকৃতির
গ্রহণযোগ্যতার সীমার মধ্যে, দ্বিতীয় অধ্যায়ের বিধানাবলী প্রকাশক ও সংস্করণসমূহের
মুদ্রণশৈলীগত বিন্যাসের
ক্ষেত্রে
এইরূপে প্রযোজ্য হইবেন যেন উহারা যথাক্রমে প্রণেতা ও
কর্ম ছিল।
ব্যাখ্যা।_ "মুদ্রণশৈলীগত বিন্যাস" অর্থে ক্যালিগ্রাফিক অন্তভুক্ত হইবে।
৪০। কপিরাইটের সহিত সম্নন্ধ।
সকল প্রকার সন্দেহ দুরীকরণার্থে এতদ্বারা ঘোষণা করা হইল যে, এই অধ্যায়ের প্রকাশককে
প্রদত্ত অধিকার
-
(ক) সংস্করণটি কপিরাইট দ্বারা সংরতি বা সংরতি নহে এই প্রশ্ন নির্বিশেষে, বিদ্যমাণ
থাকিবে।
(খ) সাহিত্য, নাট্য, সংগীত বা শিল্পকর্মের কপিরাইট, যদি থাকে, উহাকে প্রভাবাম্বিত
করিবে
না।
অধ্যায়
-৮
কপিরাইট সমিতি
৪১। কপিরাইট সমিতি নিবন্ধন। (১) এই আইন বলবত্
হওয়ার পর, উপ-ধারা (৩) এর অধীন নিবন্ধিত না হইলে, কোন ব্যক্তি বা সমিতি কপিরাইট
বিদ্যমান আছে এমন কোন কর্মের জন্য অথবা এই আইনের অধীন প্রদত্ত অন্য কোন অধিকারের
বিষয়ে লাইসেন্স ইস্যু করার বা মঞ্জুর
করার ব্যবসা শুরু করিতে অথবা অব্যাহত রাখিতে পারিবেন নাঃ
তবে শর্ত থাকে যে, কপিরাইটের কোন মালিক কোন নিবন্ধিত কপিরাইট সমিতির সদস্য হিসাবে
ব্যক্তিগত এখতিয়ারে তাহার দায়িত্বের সহিত সঙ্গতিপূর্ণ নিজস্ব কোন কর্মের ব্যপারে
লাইসেন্স প্রদানের অধিকার অব্যাহত রাখিতে পারিবেনঃ
আরো শর্ত থাকে যে, এই আইন প্রবর্তিত হওয়ার অব্যবহিত পূর্বে কপিরাইট অধ্যাদেশ, ১৯৬২
(১৯৬২ সনের ৩৪ নং অধ্যাদেশ) এর অধীনে কার্যরত পারফর্মিং রাইটস সোসাইটি, এই অধ্যায়ের
উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, কপিরাইট সমিতি মর্মে গণ্য হইবে এবং অনুরূপ সকল সমিতিকে এই আইন
বলবত্ হওয়ার এক বছরের মধ্যে নিবন্ধীকৃত হইতে হইবে।
১৭। ২০০০
সনের ২৮ নং আইনে নূতন ধারা ৩৬ এর পর নিম্নরূপ নূতন ধারা ৩৮ক ও ৩৮খ এর সন্নিবেশ।
উক্ত আইনের ধারা ৩৮ এর পর নিম্নরূপ নূতন ধারা ৩৮ক ও ৩৮খ এর সন্নিবেশিত হইবে, যথাঃ
"(৩৮ক)। শাস্তি। ধারা ৩৮ এর উপ ধারা (২) এর দফা (খ) এ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোন
ব্যক্তি যদি চলচ্চিত্রের কপি বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভে জমাদানে ব্যর্থ হন, তাহা হইলে
তিনি অনূর্ধ ছয় মাসের কারাদন্ড অথবা অনূর্ধ পঞ্চাশ হাজার টাকা জরিমানা অথবা
উভয়দন্ডে দন্ডণীয় হইবেন।
(৩৮খ) এই অধ্যায়ে বর্ণিত অপরাধ বিচারার্থ গ্রহণ। ফৌজদারী কার্যবিধিতে যাহা কিছুই
থাকুক না কেন, সাধারণ বা বিশেষ আদেশ দ্বারা সরকার হইতে এতদুদ্দেশ্যে মতাপ্রাপ্ত
কর্মকর্তার অভিযোগ ব্যতীত কোন আদালত এই অধ্যায়ের অধীন শাস্তিযোগ্য কোন অপরাধ
বিচারার্থ গ্রহণ করিবে না"। |
(২)
নির্ধারিত শর্ত পূরণকারী প্রত্যেক সমিতি উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত ব্যবসা করার
অনুমতির জন্য
রেজিষ্ট্রারের নিকট দরখাস্ত করিতে পারিবে, যিনি উক্ত দরখাস্ত সরকারের নিকট দাখিল
করিবেন।
(৩) প্রণেতা এবং এই আইনের অধীন অন্যান্য অধিকারের মালিকদের স্বার্থ, জনস্বার্থ ও
জনগণের
সুবিধা এবং বিশেষতঃ, লাইসেন্স প্রাথী
হইতে পারে এমন ব্যক্তিসমষ্টির স্বার্থ ও সুবিধা এবং দরখাস্তকারীদের যোগ্যতা এবং
পেশাগত দতা বিবেচনা করিয়া সরকার, নির্ধারিত শর্ত সাপেক্ষে কোন সমিতিকে কপিরাইট সমিতিরূপে নিবন্ধিত করিবেঃ
তবে শর্ত থাকে যে, সরকার সাধারণতঃ একই শ্রেনীর কর্মের ব্যবসা করার জন্য একের অধিক
সমিতিকে নিবন্ধিত করিবে না।
(৪) যদি সরকার এই মর্মে সন্তুষ্ট হয় যে, কোন কপিরাইট সমিতি কপিরাইট মালিকদের
স্বার্থের
পরিপন্থিভাবে উহার কার্যক্রম পরিচালনা করিতেছে, সেক্ষেত্রে সরকার নির্ধারিত পদ্ধতিতে
তদন্তপূর্বক উক্ত সমিতির রেজিষ্ট্রেশন বাতিল করিতে পারিবে।
(৫) যেক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কপিরাইট মালিকদের স্বার্থে প্রয়োজন মনে করিবে সেক্ষেত্রে সরকার
আদেশ দ্বারা,
উপ-ধারা (৪) এর অধীন তদন্তাধীন কোন সমিতির নিবন্ধন অনধিক এক বছরের জন্য আদেশে
বর্ণিত সমযসীমার জন্য স্থগিত করিতে পারিবে এবং সরকার উক্ত কপিরাইট সমিতির কার্য
নির্বাহের জন্য একজন প্রশাসক নিযুক্ত করিতে পারিবে।
৪২। কপিরাইট সমিতি কর্তৃক মালিকদের অধিকার নির্বাহ। (১) এতদউদ্দেশ্যে নির্ধারিত
শর্ত সাপেক্ষে
(ক) কোন কপিরাইট সমিতি যে কোন অধিকারের মালিকের নিকট হইতে লাইসেন্স প্রদান,
লাইসেন্স ফি আদায় বা উভয়বিধ কার্যের মাধ্যমে তাঁহার কোন কর্মের কোন অধিকার
পরিচালনার জন্য একচ্ছত্র কর্তৃত্ব গ্রহণ করিতে পারিবে; এবং
(খ) সংশ্লিষ্ট চুক্তির অধীন কপিরাইট সমিতির অধিকার
ক্ষুন্ন না করিয়া, কোন অধিকারের
মালিকের উক্তরূপ কর্তৃত্ব প্রত্যাহার করিয়া নেওয়ার "মতা" থাকিবে।
(২) এই আইনের অধীন উদ্ভুত অধিকারের অনুরূপ অধিকার পরিচালনা করে এইরূপ বিদেশী সমিতি
বা সংস্থার সহিত কোন কপিরাইট সমিতি নিম্নরূপ কার্য সম্পাদানের নিমিত্তে
চুক্তিতে আবদ্ধ হইতে পারে, যথাঃ-
(ক) উক্ত বিদেশী সমিতি বা সংস্থাকে কোন বিদেশী রাষ্ট্রে উক্ত বাংলাদেশী কপিরাইট
সমিতির
প্রশসনাধীন কোন অধিকার প্রশাসন করার দায়িত্ব প্রদান;
(খ) উক্ত বিদেশী সমিতি বা সংস্থার প্রশাসনাধীন কোন অধিকারের প্রশাসন বাংলাদেশে
পরিচালনার দায়িত্ব অর্পণঃ
তবে শর্ত থাকে যে, অনুরূপ কোন সমিতি বা সংস্থা বাংলাদেশীকর্ম এবং অন্যান্য কর্মের
লাইসেন্সের শর্ত বা আদায়কৃত ফি বন্টনের
ক্ষেত্রে কোনরূপ বৈষম্য করিতে পারিবে না।
(৩) নির্ধারিত শর্ত সাপেক্ষে
প্রত্যেক কপিরাইট সমিতি-
(ক) এই আইনের অধীন কোন অধিকারের ব্যাপারে ধারা ৪৮ এর অধীন লাইসেন্স প্রদান
করিতে পারিবে;
(খ) অনুরূপ লাইসেন্স মোতাবেক ফি আদায় করিতে পারিবে;
(গ) স্বীয় ব্যয় কর্তনপূর্বক ফি অধিকারের মালিকদের মধ্যে বন্টন করিতে পারিবে;
(ঘ) ধারা ৪৪ এর বিধানাবলীর সহিত সামঞ্জস্যপূর্ণ অন্য যে কোন কার্য করিতে পারিবে;
৪৩। কপিরাইট সমিতি কর্তৃক পারিশ্রমিক প্রদান। (১) সরকার যদি এই মর্মে সন্তুষ্ট হয়
যে, কোন বিশেষ শ্রেনীর কর্মের কোন কপিরাইট সমিতি সমগ্র বাংলাদেশব্যাপী অনুরূপ
কর্মের মালিকদের অধিকার পরিচালনা করিতেছে, তাহা হইলে সরকার সেই সমিতিকে এই ধারার
উদ্দেশ্যে নিযুক্ত করিবে।
(২) কপিরাইট সমিতি, এতদুদ্দেশ্যে প্রণীত বিধি সাপেক্ষে কোন কর্মের প্রচার সংখ্যা
বিবেচনা করিয়া
কপিরাইটের প্রত্যেক মালিকদের প্রদেয় পারিশ্রমিকের পরিমাণ নির্ধারণের জন্য একটি
পরিকল্পনা তৈরী করিবেঃ
তবে শর্ত থাকে যে, অনুরূপ পরিকল্পনায় প্রদেয় অর্থ কপিরাইট সমিতির বিবেচনায়
যুক্তিসংগত প্রচারণার পর্যায়ে উপনীত কর্মের কপিরাইট মালিকের মধ্যে সীমিত থাকিবে।
৪৪। কপিরাইট সমিতির উপর কপিরাইট মালিকদের
নিয়ন্ত্রণ। (১) প্রত্যেক কপিরাইট সমিতি
সেই সকল কপিরাইট মালিকগণের যৌথ নিয়ন্ত্রণাধীন থাকিবে যাহাদের অধিকার উক্ত সমিতি
পরিচালনা করে (ধারা ৪২ এর উপ-ধারা (২) এ বর্ণিত বিদেশী সমিতি বা সংস্থা কর্তৃক
পরিচালিত অধিকারসমূহের মালিকগণ নহে) এবং নির্ধারিত পদ্ধতিতে_
(ক) ফি আদায় ও বন্টনের জন্য কপিরাইট মালিকদের অনুমোদন সংগ্রহ করে;
(খ) আদায়কৃত ফি হইতে কোন অংকের টাকা অধিকারের মালিকগণের মধ্যে বন্টন ব্যতীত
অন্য কোন উদ্দেশ্যে ব্যবহার করার জন্য উক্ত অধিকারের মালিকদের অনুমোদন গ্রহণ করে;
(গ) উক্ত মালিকদের তাহাদের অধিকার পরিচালনার বিষয়ে উহার কার্যকলাপ সম্পর্কে নিয়মিত
পূর্ণ ও বিস্তারিত তথ্য প্রদান করে।
(২) সকল ফি অধিকারের মালিকদের মধ্যে, যতদুর সম্ভব, তাহাদের কর্মের প্রকৃত ব্যবহারের
অনুপাতে
বন্টন করিতে হইবে।
৪৫।
রিটার্ণ এবং প্রতিবেদন।_ (১) প্রত্যেক কপিরাইট সমিতি, নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে
এবং নির্ধারিত পদ্ধতিতে, যে সকল কর্মের
ক্ষেত্রে উহার লাইসেন্স মঞ্জুর করার কর্তৃত্ব
আছে সেই সব লাইসেন্স বাবদ যে ফি, চার্জ, রয়্যালটি আদায় করার প্রস্তাব করে উহাসহ
নির্ধারিত অন্যান্য আদায়ের একটি বিবরণ প্রস্তুত ও প্রকাশ করিয়া রেজিষ্ট্রারের নিকট
দাখিল করিবে।
(২) সরকার হইতে যথাযথভাবে মতাপ্রাপ্ত যে কোন কর্মকর্তা সমিতি কর্তৃক পরিচালিত
অধিকার বাবদ
আদায়কৃত ফি এই আইনের বিধানাবলী অনুসারে সরকার যথাযথভাবে ব্যবহৃত ও বন্টিত হইতেছে
কিনা সে সম্পর্কে সন্তুষ্ট হইবার জন্য কপিরাইট সমিতি হইতে যে কোন প্রতিবেদন অথবা
নথি তলব করিতে পারিবে।
১৮। ২০০০
সনের ২৮ নং আইনের ধারা ৪৪ এর সংশোধন । উক্ত আইনের ধারা ৪৪ এর "বন্টন" এবং
"বন্টনের" শব্দ যেখানেই উল্লিখিত হউক না কেন, এর পরিবর্তে " বণ্টন" এবং " বণ্টনের"
শব্দ প্রতিস্থাপিত হইবে। |
পৃষ্ঠা নং:
১ ২ ৩ ৪ ৫ ৬ ৭ ৮ ৯ ১০