Download Acrobat Reader

৮৮। প্রতারিত বা প্রভাবিত করিবার উদ্দেশ্যে মিথ্যা বিবৃতি প্রদানের শাস্তিঃ কোন ব্যক্তি
(ক) কোন কর্তৃপ বা কর্মকর্তাকে এই আইনের কোন বিধানের আওতায় তাহার যে কোন কার্য সম্পাদনে প্রতারিত করিবার অভিপ্রায়ে, বা
(খ) এই আইন বা ইহার অধীন কোন বিষয় সম্পর্কে কোন কিছু করিতে বা না করিতে প্রভাবিত করিবার অভিপ্রায়ে,
মিথ্যা জানিয়া কোন মিথ্যা বিবৃতি বা ব্যাখ্যা প্রদান করেন, তিনি অনূর্দ্ব দুই বত্‍সরের কারাদন্ডে বা অনূর্ধ পঁচিশ হাজার টাকা অর্থদন্ডে বা উভয় দন্ডে দন্ডনীয় হইবেন।

৮৯। প্রণেতার মিথ্যা কর্তৃত্ব আরোপ। কোন ব্যক্তি
(ক) প্রণেতা নহেন এমন কাহারো নাম কোন কর্মের ভিতরে বা উপরে বা উক্ত কর্মের পুনরুত্‍পাদিত অনুলিপির ভিতরে বা উপরে এমনভাবে সন্নিবেশ বা সংযুক্ত করেন যাহতে এই মর্মে ইঙ্গিত বহন করে যে ঐরূপ ব্যক্তি কর্মটির প্রণেতা; অথবা
(খ) এমন কোন কর্ম প্রকাশ, বিক্রয় বা ভাড়ায় প্রদান করেন অথবা বাণিজ্যিকভাবে জনসমক্ষে প্রদর্শন করেন যে, কর্মের ভিতরে বা উপরে এমন কোন ব্যক্তির নাম এমনভাবে সন্নিবেশ বা সংযুক্ত করা হইয়া থাকে যাহাতে এই মর্মে ইঙ্গিত বহন করে যে, ঐরূপ ব্যক্তি কর্মটির প্রণেতা বা প্রকাশক, কিন্তু যিনি তাহার জানামতে ঐরূপ কর্মের প্রণেতা বা প্রকাশক নহেন;
অথবা
(গ) দফা (খ) এ উল্লিখিত কোন কর্ম করেন বা সেই কর্মের পুনরুত্‍পাদন বিতরণ করেন যে, কর্মের ভিতর বা উপরে কোন ব্যক্তির নাম এমনভাবে সন্নিবেশ বা সংযুক্ত করা হয় যাহাতে এই মর্মে ইঙ্গিত বহন করে যে, ঐরূপ ব্যক্তি কর্মটির প্রণেতা , কিন্তু যিনি তাহার জানামতে ঐরূপ কর্মের প্রণেতা নহেন, অথবা কর্মটি জনসমক্ষে সম্পাদন করেন বা কোন বিশেষ প্রণেতার কর্মরূপে কর্মটি সমপ্রচার করেন যিনি যাহার জানামতে ঐরূপ কর্মের প্রণেতা নহেন;
তিনি অনূর্দ্ব দুই বত্‍সরের কারাদন্ড বা অনূর্ধ পঁচিশ হাজার টাকা অর্থদন্ড বা উভয় দন্ডে দন্ডনীয় হইবেন।
৯০। ধারা ৭২ লঙ্ঘনের শাস্তি। কোন ব্যক্তি যদি ধারা ৭২ এর বিধান লঙ্ঘনপূর্বক কোন রেকর্ড বা ভিডিও চিত্র প্রকাশ করেন, তাহা হইলে তিনি অনূর্দ্ব তিন বছর কারাদন্ড বা অনূর্ধ তিন লক্ষ্য টাকা অর্থদন্ডে বা উভয় দন্ডে দন্ডনীয় হইবেন।

৪২। ২০০০ সনের ২৮ নং আইনের ধারা ৯০ এর সংশোধন । উক্ত আইনের ধারা ৯০ এর "৭২" সংখ্যা, উপান্তটীকাসহ দুই বার উল্লিখিত, এর পরিবর্তে, উভয় স্থানে , "৭৩" সংখ্যা প্রতিস্থাপিত হইবে।

৯১। কোম্পনী কর্তৃক অপরাধ। (১) এই আইনের অধীন কোন অপরাধ কোন কোম্পানী কর্তৃক সংঘটিত হইলে, অপরাধ সংঘটনের সময় উক্ত কোম্পানীর ব্যবসা পরিচালনার জন্য কোম্পানীর দায়িত্বে ছিলেন এবং কোম্পানী র নিকট দায়ী ছিলেন এইরূপ প্রত্যেক ব্যক্তি এবং অধিকন্ত ঐ কোম্পানী ঐরূপ অপরাধের জন্য দোষী বলিয়া গণ্য হইবেন এবং তাহারা তাহাদের বিরূদ্ধে আইনগত কার্যক্রম গ্রহণের জন্য এবং সেইমত দন্ডপ্রাপ্ত হইতে দায়ী হইবেনঃ

তবে শর্ত থাকে যে, এই উপ-ধারার কোন কিছুই কোন ব্যক্তিকে কোন শাস্তির জন্য দায়ী করিবে না, যদি তিনি প্রমাণ করেন যে ঐ অপরাধ তাহার অজ্ঞাতসারে সংঘটিত হইয়াছিল অথবা তিনি ঐরূপ অপরাধ সংঘটনরোধ করিবার জন্য যথাসম্ভব চেষ্টা করিয়াছিলেন।

(২) উপ-ধারা (১) এ যাহাই থাকুক না কেন, এই আইনের অধীন কোন কোম্পানী কর্তৃক কোন অপরাধ যদি সংঘটিত হয় এবং ইহা প্রমাণিত হয় যে, ঐ অপরাধ কোম্পানীর কোন পরিচালক, ম্যানেজার, সেক্রেটারী বা অন্যান্য অফিসারের সম্মতি বা গাফলতির কারণে সংঘটিত হইয়াছে, তাহা হইলে উক্ত  পরিচালক, ম্যানেজার, সেক্রেটারী বা অন্যান্য অফিসারও ঐ অপরাধের জন্য দোষী বলিয়া গণ্য  হইবেন এবং তাহারা তাহাদের বিরূদ্ধে আইনগত কার্যক্রম গ্রহণের জন্য এবং সেইমতে দন্ডপ্রাপ্ত
হইবেন।
ব্যাখ্যা।এই ধারার উদ্দেশ্যে -
(ক) "কোম্পানী " অর্থে সংবিধিবদ্ধ সংস্থা এবং কোন ব্যবসা-প্রতিষ্ঠান বা অন্যান্য ব্যক্তিবর্গের সমিতিও অন্তর্ভুক্ত হইবে ; এবং
(খ) ব্যবসা-প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে " পরিচালক" অর্থে উহার অংশীদারকে বুঝাইবে।
৯২। অপরাধ বিচারার্থ গ্রহণ। দায়রা জজ আদালত অপো নিম্নতর কোন আদালত এই আইনের অধীন কোন অপরাধ, ধারা ৬৬ এর বিধান সাপেক্ষে বিচারার্থে গ্রহণ করিবে না।

৯৩। লঙ্গিত অনুলিপি জব্দ পুলিশের মতা। (১) সাব-ইনসপেক্টরের নিম্নতর পদাধিকারী নহেন এমন যে কোন পুলিশ কর্মকর্তা যদি এই মর্মে সন্তুষ্ট হন যে, ধারা ৮১ এর অধীনে কোন কর্মের কপিরাইট লঙ্ঘনজনিত কোন অপরাধ সংঘটিত হইয়াছে, হইতেছে বা হওয়ার সম্ভবনা দেখা দিয়াছে, তাহা হইলে তিনি গ্রেফতারী পরোয়ানা ছাড়াই কর্মটির সকল অনুলিপি এবং লঙ্ঘনকারী অনুলিপি তৈরীর উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত সকল কপি এবং প্লেট, যেখানেই পাওয়া যাক, জব্দ করিতে পারিবেন এবং অনুরূপভাবে জব্দকৃত সকল কপি এবং প্লেট যত দ্রুত সম্ভব, একজন ম্যজিষ্ট্রেটের সম্মুখে উপস্থাপন করিবেন।

(২) উপ-ধারা(১) এর অধীনে জব্দকৃত কোন কর্মের অনুলিপিতে বা প্লেটে স্বার্থ রহিযাছে এমন যে কোন ব্যক্তি ঐরূপ জব্দ হওয়ার ১৫ দিনের মধ্যে অনুরূপ অনুলিপি বা প্লেট তাহাকে ফেরত দিবার জন্য ম্যাজিষ্ট্রেটের নিকট দরখাস্ত করিতে পারিবেন এবং ম্যাজিষ্ট্রেট, দরখাস্তকারী ও বাদীর শুনানী গ্রহণের পর এবং প্রয়োজন অনুযায়ী আরো তদন্ত করিয়া দরখাস্তের উপর তাহার বিবেচনায় উপযুক্ত আদেশ প্রদান করিবেন।

৪৩। ২০০০ সনের ২৮ নং আইনের ধারা ৯৩ এর সংশোধন । উক্ত আইনের ধারা ৯৩ এর
(ক) উপ-ধারা (১) এর " ধারা ৮১ এর অধীনে কোন কর্মের" শব্দগুলির পরিবর্তে " ধারা ৮২ এর অধীনে কোন কর্মের বা ধারা ৮৪ এর অধীনে কোন কম্পিউটার কর্মের" শব্দগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে;
(খ) উপ-ধারা (২) এর "অনুলিপিতে বা প্লেটে স্বার্থ রহিযাছে এমন যে কোন ব্যক্তি ঐরূপ জব্দ হওয়ার ১৫ দিনের মধ্যে অনুরূপ অনুলিপি বা প্লেট তাহাকে ফেরত দিবার" শব্দগুলি ও সংখ্যার পরিবর্তে " অনুলিপি বা যন্ত্রপাতি বা দ্রব্যসামগ্রী বা প্লেটে স্বার্থ রহিয়াছে এমন যে কোন ব্যক্তি ঐরূপ জব্দ হওয়ার ১৫ (পনের) দিনের মধ্যে অনুরূপ অনুলিপি বা যন্ত্রপাতি বা
দ্রব্যসামগ্রী বা প্লেটতাহকে ফেরত দেওয়ার" শব্দগুলি, সংখ্যা ও বন্ধনীগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে;

অধ্যায়-১৬
আপীল


৯৪। ম্যাজিষ্ট্যেটের কতিপয় আদেশের বিরুদ্ধে আপীল। ধারা ৮৬ বা ধারা ৯৩ এর উপ-ধারা (২) এর অধীন প্রদত্ত আদেশে সংবুদ্ধ কোন ব্যাক্তি, আদেশ প্রদানের ৩০ দিনের মধ্যে, যে আদালতে আদেশ প্রদানকারী আদলত হইতে সাধারণতঃ আপীল করা চলে সেই আদালতে আপীল করিতে পারিবেন এবং ঐরূপ আপীল আদলত কর্তৃক আপীল নিস্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ঐ আদেশের কার্যকরতা স্থগিত রাখিবার নির্দেশ প্রদান করিতে পারিবে।
৯৫। রেজিষ্ট্রারের আদেশের বিরূদ্ধে আপীল। (১) রেজিষ্ট্রারের কোন চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বা আদেশে সংবুব্ধ যে কোন ব্যাক্তি ঐ সিদ্ধান্ত বা আদেশ প্রদানের ৩ মাসের মধ্যে বোর্ডের নিকট আপীল করিতে পারিবেন।
(২) এই ধারর অধীন বোর্ডের শুনানী গ্রহণ কালে রেজিষ্ট্রার বোর্ডের সদস্য হিসাবে উপস্থিত থাকিবেন না।
৯৬। বোর্ডের আদেশের বিরূদ্ধে আপীল। ধারা ৯৫ এর অধীন আপীলে প্রদত্ত কোন সিদ্ধান্ত বা আদেশ ব্যতীত, বোর্ডের কোন চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বা আদেশে সংবব্ধ কোন ব্যক্তি ঐ সিদ্ধান্ত বা আদেশ প্রদানের ৩ মাসের মধ্যে হাইকোর্ট বিভাগে আপীল করিতে পারিবেনঃ

তবে শর্ত থাকে যে, ধারা ৬ এর আওতায় বোর্ডের কোন সিদ্ধানের বিরূদ্ধে অনুরূপ কোন আপীল চলিবে না।

৯৭। তামাদী গণনা। এই অধ্যয়ের অধীন আপীলের জন্য প্রদত্ত ৩ মাসের সময় গণনা, যে আদেশ বা সিদ্ধান্তের বিরূদ্ধে আপীল করা হইয়াছে, উহার সার্টিফাইড কপি বা, ত্রেমত সিদ্ধান্তের রেকর্ড প্রদানের জন্য গৃহীত সময় বাদ দিতে হইবে।
৯৮। আপীলের পদ্ধতি। হাইকোর্ট বিভাগ এই আইনের সহিত সংগতি রাখিয়া ধারা ৯৬ এর অধীনে উহার নিকট দায়েরকৃত আপীলে অনুসরণীয় পদ্ধতি বিষয়ে বিধি প্রণয়ন করিতে পারিবে।
 
অধ্যায়-১৭
বিবিধ


৯৯। রেজিষ্ট্রার এবং বোর্ড এর দেওয়ানী আদলতের কতিপয় মতা। দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ (১৯০৮ সনের ৫ নং আইন) এর অধীনে কোন দেওয়ানী মামলার বিচার করাকালে রেজিষ্ট্রার ও বোর্ড এর নিম্নোক্ত বিষয়ে দেওয়ানী আদলতের মতা থাকিবে, যথাঃ-

(ক) সমন প্রদান করা এবং কোন ব্যক্তির উপস্থিতির নিশ্চিত করা এবং তাহাতে শপথ পূর্বক পরীক্ষা করা;
(খ) কোন দলিল প্রদর্শন এবং উপস্থাপন করানো;
(গ) হলফনামাসহ সাক্ষ্য গ্রহণ;
(ঘ) সাক্ষ্য বা দলিল পরীক্ষার জন্য কমিশন মঞ্জুর করা;
(ঙ) কোন আদালত বা কার্যলয় হইতে কোন সরকারী নথি বা উহার অনুলিপি তলব করা;
(চ) নির্ধারিতব্য অন্য যে কোন বিষয়।

ব্যাখ্যা।_ সাক্ষীর উপস্থিতি বলবত্‍ করণার্থ, রেজিষ্ট্রার বা, ত্রেমত, বোর্ড এর অধিক্ষেত্রের স্থানীয় সীমানা হইবে সমগ্র বাংলাদেশ।

৪৪। ২০০০ সনের ২৮ নং আইনের ধারা ৯৯ এর সংশোধন ।_ উক্ত আইনের ধারা ৯৯ এর_" দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮(১৯০৮ সনের ৫ নং আইন) এর " শব্দগুলি, সংখ্যাগুলি ও বন্ধনীগুলির পরিবর্তে " দেওয়ানী কার্যবিধির" শব্দগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে।

১০০। রেজিষ্ট্রার বা বোর্ড কর্তৃক প্রদত্ত অর্থ প্রদানের আদেশ ডিক্রীর ন্যায় কার্যকর হইবে। রেজিষ্ট্রার বা বোর্ড কর্তৃক এই আইনের অধীন প্রদত্ত অর্থ প্রদানের প্রত্যেক আদেশ বা বোর্ড কর্তৃক প্রদত্ত অনুরূপ আদেশের বিরূদ্ধে আনীত আপীলে হাইকোর্ট বিভাগ কর্তৃক প্রদত্ত আদেশ, রেজিষ্ট্রার, বোর্ড বা ত্রেমত, সুপ্রীমকোর্টের রেজিষ্ট্রার কর্তৃক প্রদত্ত সার্টিফিকেটের ভিত্তিতে দেওয়ানী আদালতের ডিক্রী মর্মে গণ্য হইবে এবং অনুরূপ আদালতের ডিক্রীর ন্যায় অভিন্ন পদ্ধতিতে কার্যকরযোগ্য হইবে।

১০১। অব্যহতি। এই আইনের উদ্দেশ্য সাধনে সরল বিশ্বাসে কৃত বা করার অভিপ্রায় এর জন্য কোন ব্যক্তির বিরূদ্দে কোন মামলা বা আইনগত কার্যক্রম চলিবে না।

১০২। জনসেবক। এই আইনের অধীন নিযুক্ত প্রত্যেক কর্মকর্তা এবং বোর্ডের প্রত্যেক সদস্য দন্ডবিধি (১৮৬০ সনের ৪৫নং আইন) এর ধারা ২১ এ Public servant (জনসেবক) কথাটি যে অর্থে ব্যবহৃত হইয়াছে সেই অর্থে Public servant (জনসেবক) বলিয়া গণ্য হইবে।
১০৩। বিধিমালা প্রণয়নের মতা। (১) সরকার, সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন ধারা, এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে বিধি প্রণয়ন করিতে পারিবে।

(২) পূর্বোল্লিখিত সামগ্রিকতা ক্ষুন্ন না করিয়া, নিম্নবর্ণিত সকল বা যে কোন বিষয়ে সরকার বিশেষ
করিয়া এবং উপরিউক্ত মতার সামগ্রিকভাবে ক্ষুন্ন না করিয়া অনুরূপ বিধিতে নিম্নবর্ণিত সকল বা
যে কোন বিষয়ে বিধান করা যাইবে, যথাঃ-
(ক) চেয়ারম্যান এবং বোর্ডের অন্যান্য সদস্য গণের কর্মের মেয়াদ ও চাকুরীর শর্তাবলি;
(খ) এই আইনের অধীন দাখিলতব্য অভিযোগ ও দরখাস্ত এবং মঞ্জুরীক্রতব্য লাইসেন্সের ফরম;
(গ) রেজিষ্ট্রার বা বোর্ডের সমীপে কার্যধারায় অনুসরণীয় পদ্ধতি;
(ঘ) ধারা ৪১ এর উপ-ধারা (২) এর অধীন দরখাস্ত দলিলের শর্তাবলী;
(ঙ) ধারা ৪১ এর উপ-ধারা (৩) এর অধীন কপিরাইট সমিতি নিবন্ধন হওয়ার শর্তাবলী;
(চ) ধারা ৪১ এর উপ-ধারা (৪) এর অধীন নিবন্ধন বাতিলের তদন্ত;
(ছ) ধারা ৪২ এর উপ-ধারা (১) এর দফা (ক) এর অধীনে কপিরাইট সমিতিকে প্রদেয় মতার শর্ত এবং উক্ত উপ-ধারার দফা (খ) এর অধীন অধিকারের মালিকদের অনুরূপ মতা অর্পণের মতা প্রত্যাহারের শর্তাবলী;
(জ) ধারা ৪২ এর উপ-ধারা (৩) এর অধীন কপিরাইট সমিতি কর্তৃক লাইসেন্স ইস্যুকরণ, ফি আদায় এবং অধিকারের মালিকদের মধ্যে অনুরূপ ফি বন্টনের শর্তাবলী;
(ঝ) ধারা ৪৪ এর উপ-ধারা (১) এর অধীনে ফি আদায় ও বন্টন বিষয় অধিকারে মালিকদের অনুমোদন, ফি হিসাবে আদায়কৃত কোন অর্থের সদ্ব্যবহার এবং অনুরূপ মালিকদের অধিকার সমূহে প্রশাসন সংশ্লিষ্ট কার্যাবলীর তথ্য সরবরাহের পদ্ধতি;

৪৫। ২০০০ সনের ২৮ নং আইনের ধারা ১০২ এর সংশোধন । উক্ত আইনের ধারা ১০২ এর" দন্ডবিধি (১৯৬০ সনের ৪৫ নং আইন) এর " শব্দগুলি, সংখ্যাগুলি ও বন্ধনীগুলির পরিবর্তে " দন্ডবিধির" শব্দগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে।

(ঞ) ধারা ৪৫ এর উপ-ধারা (১) এর অধীন কপিরাইট সমিতি কর্তৃক রেজিষ্ট্রারের নিকট বিবরণী দাখিল;
(ট) এই আইনের অধীন প্রদেয় রয়্যালটি নির্ধারণ এবং অনুরূপ রয়্যালটি প্রদানের জন্য জামানত গ্রহণের পদ্ধতি;
(ঠ) এই আইনের অধীন প্রদেয় রয়্যালটি প্রদানের পদ্ধতি;
(ড) কপিরাইট সমিতি কর্তৃক হিসাব এবং অন্যান্য আনুষংগিক নথি সংরণ এবং বার্ষিক হিসাব বিবরণীর নমুনা ও পদ্ধতি এবং ধারা ৪২ এর উপ-ধারা (২) এর অধীন অধিকারের ব্যক্তি মালিককে প্রদত্ত পারিশ্রমিকের পরিমাণ নির্ধারণের পদ্ধতি;
(ঢ) এই আইনের অধীন রতিব্য কপিরাইট রেজিষ্ট্রারের ফরম এবং উহাতে অন্তভুক্ত করিতে হইবে এমন বিবরণী;
(ণ) যে সকল বিষয়ে রেজিষ্ট্রার এবং বোর্ডের দেওয়ানী আদালতের মতা থাকিবে;
(ত) এই আইনের অধীন প্রদেয় ফিস;
(থ) এই আইন দ্বারা রেজিষ্ট্রারের ব্যবস্থাপনায় বা নিয়ন্ত্রণে ন্যস্ত কপিরাইট অফিসের কার্যাদি ও অন্য সকল বিষয়।
১০৪। ইংরেজীতে অনূদিত পাঠ প্রকাশ। এই আইন প্রবর্তনের পর সরকার, সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, এই আইনের ইংরেজীতে অনূদিত একটি পাঠ প্রকাশ করিবে যাহা এই আইনের অনূদিত ইংরেজী পাঠ
( Authentic English Text) নামে অভিহিত হইবেঃ

তবে শর্ত থাকে যে, এই আইন ও উক্ত ইংরেজী পাঠের মধ্যে বিরোধের ক্ষেত্রে এই আইন প্রাধান্য পাইবে।

১০৫। রহিতকরণ, হেফাজত এবং ক্রান্তিকালীন বিধান।_ (১) Copy-right Ordinance, 1962 (Ord. No. XXXIV of 1962)এতদ্বারা রহিত করা হইল।

(২) যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি এই আইন কার্যকর হওয়ার পূর্বে এমন কোন কাজ করিয়া থাকেন যদ্বারা তিনি
সংশ্লিষ্ট সময়ে আইন মোতাবেক কোন কর্মের পুনরুত্‍পাদন বা সম্পাদনের জন্য অথবা এই আইন কার্যকর না হইলে ঐরূপ পুনরুত্‍পাদন বা সম্পাদন বৈধ হইতে এমন কোন কর্মের পুনরুত্‍পাদন বা সম্পাদনের জন্য কোন প্রকার ব্যয় বা দায় এর জন্য দায়ী হন, সেক্ষেত্রে এই ধারার কোন কিছুই ঐরূপ কাজ হইতে বা তত্‍সূত্রে উদ্ভুত কোন অধিকার বা স্বার্থ খর্ব বা ক্ষুণ্ন করিবে না, যদি না এই আইনবলে পুনরূত্‍পাদন বা সম্পাদন করিবার অধিকার ব্যক্তি চুক্তিভঙ্গের দরুণ বোর্ড যেরূপ নির্ধারণ করে ঐরূপ তিপূরণ প্রদান করিতে সম্মত না হন।

(৩) উপ-ধারা (১) এর অধীন রহিত আইনের অধীন কোন কর্মের কপিরাইট ছিল না এমন কোন কর্মের ক্ষেত্রে এই আইনের অধীন কপিরাইট থাকিবে না।
(৪) এই আইন কার্যকর হওয়ার অব্যহতি পূর্বে যেক্ষেত্রে কোন কর্মের কপিরাইট বিদ্যমান ছিল ঐরূপ কপিরাইটের অন্তর্ভুক্ত অধিকার, এই আইন কার্যকর হওয়ার তারিখ হইতে, কর্মটি যে শ্রেনীর অন্তর্ভুক্ত ঐ শ্রেনী সম্মন্ধে ধারা ১৪-এ উল্লেখিত অধিকার হইবে এবং যদি উক্ত ধারা দ্বারা কোন নতুন অধিকার প্রদত্ত হয়, তাহা হইলে উক্ত অধিকারের মালিক-
(ক) এই আইন কার্যকর হওয়ার পূর্বে কর্মটির কপিরাইটের সম্পূর্ণ স্বত্ব-নিয়োগ হইয়া থাকিলে, উক্ত স্বত্ব নিয়োগী স্বার্থের উত্তরাধিকারী হইবেন।
(খ) অন্যান্য ক্ষেত্রে, ঐ ব্যক্তি হইবেন যিনি উপ-ধারা (১) এর অধীন বাতিলকৃত আইনে কর্মটির কপিরাইটের প্রথম স্বত্বাধিকারী ছিলেন।
(৫) এই আইনে ভিন্নরূপ বিধান না থাকিলে, কোন ব্যক্তি এই আইন কার্যকর হওয়ার অব্যাহতি পূর্বে কোন কর্মের কপিরাইট অথবা কোন অধিকার বা অধিকারের অন্তর্গত কোন স্বার্থের অধিকারী থাকিলে, তাহার ক্ষেত্রে এই আইন কার্যকর না হইলে যে, সময়ের জন্য তিনি ঐরূপ অধিকার বা স্বার্থের অধিকারী হইতন তাহা অব্যাহত থাকিবে।
(৬) এই আইনের কোন কিছুই উহা কার্যকর হওয়ার পূর্বে কৃত কোন কাজ কপিরাইট লঙ্ঘনজনিত কাজ হিসাবে ব্যাখ্যায়িত হিসাবে গণ্য হইবে না, যদি ঐ কাজ অন্যভাবে ঐরূপ অধিকারলঙ্ঘন গঠন না করিয়া থাকে।
(৭) এই ধারায় ভিন্নরূপ কিছু থাকিলে, রহিতকরণের ফলাফলের বিষয়ে ১৮৯৭ সনের জেনারেল কজেস এক্ট (১৮৯৭ সনের ১০ নং আইন) প্রযোজ্য হইবে।

____________________________
কাজী মুহম্মদ মনজুরে মওলা
সচিব
পৃষ্ঠা নং: ১০

  বিস্তারিত (Bangla) - Please Download Font - - Font Help -
  বিস্তারিত (English)